# Tags

দৌলতপুরে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ,পুলিশের হাতে ধর্ষক আটক

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি:কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় ১৭ বছর বয়সী এক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১৮ জুলাই) রাত ৯টার দিকে উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের ধর্মদহ বিজিবি ক্যাম্পপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত যুবককে আটক করেছে দৌলতপুর থানা পুলিশ।

রবিবার (১৯ জুলাই) সকালে ভুক্তভোগী কিশোরীর নানী রাহেলা খাতুন বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ৪৫।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত প্রায় ৯টার দিকে প্রতিবন্ধী কিশোরীটি তার ছোট নানা আলম হোসেনের বাড়ির দিকে যাওয়ার পথে একই এলাকার রাফিউল ইসলামের ছেলে আব্দুল্লাহ আল সাদি মুগ্ধ (১৯) তাকে পথ থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে মাথাভাঙ্গা নদীর তীরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। এ সময় ভুক্তভোগীর ছোট নানা আলম শেখ মাথাভাঙ্গা নদীতে মাছ ধরার জন্য ঘটনাস্থলের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বিষয়টি দেখতে পান। পরে আলম হোসেনের ভাই আবুল হোসেনসহ স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অভিযুক্ত সেখান থেকে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত মুগ্ধকে আটক করে।

এদিকে মেয়েটির নানা আবুল হোসেন জানান ভিন্ন কথা, তিনি বলেন, আবুল হোসেন আরও জানান, আমার মেয়ের জামাই মারা যাওয়ার পর আমি আমার মেয়ের অন্যত্র বিয়ে দিই। এরপর থেকে আমার নাতি আমার কাছেই থাকে। আমার নাতি আমার ছোট ভাই আলম হোসেনের বাড়ির দিকে যাচ্ছিলো, এমন সময় পথের মধ্যে থেকে মুগ্ধ আমার নাতিকে তুলে নিয়ে যাচ্ছিল এবং পিছনে মুগ্ধর চাচাতো ভাই সিয়াম হোসেন (২২) পিছন পিছন যাচ্ছিল। পরবর্তীতে মাথাভাঙ্গা ঘাটের ধারে নিয়ে গিয়ে আমার নাতিকে মুগ্ধ ধর্ষণ করে এবং ঘাটের ওপরে সিয়াম পাহারা দেয়। আবুল হোসেন জানান, সিয়াম ওই এলাকার রবিউল ইসলামের ছেলে এবং তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্য। তার অভিযোগ, আলম হোসেন ঘটনাটি দেখতে পেলে মুগ্ধ ও সিয়াম তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।

এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান জানান, ১৭ বছর বয়সী এক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় মুগ্ধ নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। ওসি বলেন, অভিযোগে এক ব্যক্তির নাম পাওয়া গেছে, তাই প্রাথমিকভাবে তাকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে এবং আটক আসামিকে আদালতে সোপর্দ করার প্রস্তুতি চলছে।